বিকাশ, নগদ বা রকেট — যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিংয়ে মাত্র কয়েক মিনিটে টাকা জমা দিন এবং জয়ের টাকা তুলুন।
jitaac-এ বর্তমানে তিনটি জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি সমর্থিত।
বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। jitaac-এ বিকাশের মাধ্যমে ডিপোজিট ও উইথড্র দুটোই করা যায়। প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় এবং সাধারণত ২–৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
ডাক বিভাগের নগদ সেবা এখন jitaac-এ সম্পূর্ণ সমর্থিত। নগদ অ্যাপ বা USSD কোডের মাধ্যমে সহজেই পেমেন্ট করুন। নগদ ব্যবহারকারীরা বিশেষ ক্যাশব্যাক অফারও পান।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের রকেট সেবাও jitaac-এ ব্যবহার করা যায়। রকেটের মাধ্যমে ডিপোজিট করলে অতিরিক্ত ৫% বোনাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য।
ডিপোজিট ও উইথড্র — দুটো প্রক্রিয়াই অত্যন্ত সহজ।
আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয় ার্ড দিয়ে jitaac-এ লগইন করুন। নতুন হলে প্রথমে নিবন্ধন করুন।
ড্যাশবোর্ড থেকে "ডিপোজিট" বা "টাকা জমা" অপশনে ক্লিক করুন।
বিকাশ, নগদ বা রকেট — যেটি আপনার কাছে আছে সেটি সিলেক্ট করুন।
কত টাকা জমা দিতে চান তা লিখুন এবং আপনার মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর দিন।
আপনার মোবাইলে আসা OTP বা পিন দিয়ে পেমেন্ট নিশ্চিত করুন। কয়েক মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্স যোগ হবে।
jitaac-এ আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন এবং ওয়ালেট ব্যালেন্স চেক করুন।
ড্যাশবোর্ড থেকে "উইথড্র" বা "টাকা তোলা" অপশনে ক্লিক করুন।
কোন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পেতে চান তা বেছে নিন এবং পরিমাণ লিখুন।
যে নম্বরে টাকা পাঠাতে চান সেই মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরটি সঠিকভাবে লিখুন।
সাবমিট করুন। সাধারণত ১৫–৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা আপনার মোবাইলে পৌঁছে যাবে।
jitaac-এর পেমেন্ট লিমিট ও প্রক্রিয়া সময়ের বিস্তারিত তালিকা।
| পদ্ধতি | ন্যূনতম ডিপোজিট | সর্বোচ্চ ডিপোজিট | ন্যূনতম উইথড্র | সর্বোচ্চ উইথড্র | প্রক্রিয়া সময় |
|---|---|---|---|---|---|
| বিকাশ | ৳১০০ | ৳৩০,০০০ | ৳৫০০ | ৳৫০,০০০ | ২–৫ মিনিট |
| নগদ | ৳১০০ | ৳২৫,০০০ | ৳৫০০ | ৳৫০,০০০ | ৩–৭ মিনিট |
| রকেট | ৳১০০ | ৳২০,০০০ | ৳৫০০ | ৳৪০,০০০ | ৫–১৫ মিনিট |
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে পেমেন্ট নিয়ে অনেকের মনে নানা প্রশ্ন থাকে। jitaac এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি সহজ ও স্বচ্ছ পেমেন্ট সিস্টেম তৈরি করেছে। এখানে কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো জটিল ফর্ম নেই — শুধু কয়েকটি ধাপে কাজ শেষ।
বিকাশ, নগদ ও রকেট — এই তিনটি পদ্ধতি বাংলাদেশের প্রায় সব মানুষের কাছে পরিচিত। তাই jitaac ইচ্ছাকৃতভাবে এই তিনটিকেই বেছে নিয়েছে যাতে যেকোনো বয়সের ও যেকোনো এলাকার মানুষ সহজে পেমেন্ট করতে পারেন। শহর বা গ্রাম — যেখানেই থাকুন, মোবাইল ইন্টারনেট থাকলেই হবে।
jitaac-এর পেমেন্ট সিস্টেম সম্পূর্ণ এনক্রিপ্টেড। আপনার লেনদেনের তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রের জন্য আলাদা ট্র্যাকিং নম্বর দেওয়া হয় যা দিয়ে আপনি যেকোনো সময় স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।
jitaac-এ প্রতিটি ডিপোজিটের সাথে বিভিন্ন ধরনের বোনাস পাওয়ার সুযোগ থাকে। নতুন সদস্যরা প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান, অর্থাৎ ৳১,০০০ জমা দিলে মোট ৳২,০০০ দিয়ে খেলা শুরু করা যায়। এই বোনাস সরাসরি যেকোনো গেমে ব্যবহার করা যায়।
প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য রিলোড বোনাস থাকে। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার ডিপোজিট করলে ২০% এবং শুক্র থেকে রবিবার ডিপোজিট করলে ৩০% পর্যন্ত বোনাস পাওয়া যায়। এছাড়া মাসিক লয়্যালটি প্রোগ্রামে অংশ নিলে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ফ্রি স্পিন পাওয়া যায়।
রকেটের মাধ্যমে ডিপোজিট করলে অতিরিক্ত ৫% বোনাস পাওয়া যায় — এটি jitaac-এর বিশেষ রকেট প্রমোশনের অংশ। নগদ ব্যবহারকারীদের জন্যও মাঝে মাঝে বিশেষ অফার আসে। এই অফারগুলো সম্পর্কে আপডেট পেতে নিয়মিত jitaac-এর নোটিফিকেশন চেক করুন।
উইথড্রের ক্ষেত্রে jitaac কোনো অতিরিক্ত চার্জ নেয় না। আপনি যা জিতেছেন তার পুরোটাই পাবেন। শুধু মোবাইল ব্যাংকিং অপারেটরের নিজস্ব ট্রান্সফার চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে, যা সাধারণত খুবই সামান্য।
jitaac-এ আপনার প্রতিটি লেনদেন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
সমস্ত ডেটা ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। কোনো তৃতীয় পক্ষ আপনার তথ্য দেখতে পাবে না।
প্রতিটি উইথড্রে OTP যাচাই বাধ্যতামূলক। অননুমোদিত লেনদেন সম্পূর্ণ অসম্ভব।
প্রতিটি ডিপোজিট ও উইথড্রের সম্পূর্ণ রেকর্ড আপনার অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত থাকে।
jitaac-এর অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম সন্দেহজনক লেনদেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে।
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে পাবেন।
jitaac-এ নিবন্ধন করুন এবং বিকাশ, নগদ বা রকেটে সহজে টাকা জমা দিন।